Address
    28, 1 VIP Rd, Dhaka 1000
    Bangladesh
    Follow us
    Follow us

    Ziaur Rahman Archive

    জিয়ার বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা ঘোষণা


    চৌধুরী খালেকুজ্জামান

    ২৫ মার্চ ১৯৭১ একটি ঐতিহাসিক দিন। অষ্টম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার, জেসিও এবং সৈনিকদের মধ্যে এদিন একটা শ্বাসরুদ্ধকর অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছিল। জিয়া ছিলেন উপ-অধিনায়ক, অলি আহমেদ কোয়াটার মাস্টার, লে. মাহফুজ আমার কোম্পানি অফিসার, শমসের মবিন তখন আন্ডার স্টাডি এ্যাডজুটেন্টের দায়িত্বে। এই রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুর রশিদ জানজুয়ার নির্দেশে আমি ও মেজর জিয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বেলা একটার দিকে একটা জিপ নিয়ে সোজা সেনানিবাসের দিকে যাই। বায়েজিদ বোস্তামী রোড হয়ে উত্তর দিকে রওনা হই। এরপর চট্টগ্রাম সেনানিবাসের গেট পর্যন্ত গিয়ে আমরা ফিরে আসি। আমরা দুজন পাশাপাশি বসা থাকা অবস্থায় আমি উচ্ছাস নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করলে তিনি চুপ করে শুনতেন, মনে হতো গভীর চিন্তা মগ্ন। তখনও আমাদের কাছে পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু জানা ছিল না। সেখান থেকে আমরা ফিরে এলাম তখন বেলা সাড়ে তিনটা। মেজর জিয়াকে নাসিরাবাদে তার বাসায় নামিয়ে দিয়ে আমি মেসে ফিরে এলাম। বিকেলে আমি অফিসে আসলাম। দেখলাম- ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ আছেন, মেজর শওকত কাজ করছেন, মেজর জিয়াও অফিসে।

    সন্ধ্যার পর আমি আমার মেসে ফিরে যাই। ফিরে যাওয়ার পর মেজর শওকত এর ফোন পেলাম। আমাকে বলা হলো ইউনিফর্ম পরে ইউনিট লাইনে আসতে। তখন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা হবে। আমি ইউনিফর্ম পরে ইউনিট লাইনে আসার পর জানজুয়া সিদ্ধান্ত বদলালেন। তিনি হঠাৎ মেজর জিয়াউর রহমানকে বললেন, তরধ ১ ঃযরহশ ুড়ঁ ংযড়ঁষফ মড় ভরৎংঃ ধহফ কযধষবয়ঁব রিষষ ভড়ষষড়ি ুড়ঁ! আমরা সবাই দাঁড়ানো- মেজর শওকত, ক্যাপ্টেন অলি এবং আমি। এই আদেশে আমি অবাক হলাম। এ ধরনের কাজে সাধারণত উপ-অধিনায়ক যান না। আমি তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। যখন মেজর জিয়াকে বলা হল, তখন এটার মধ্যে একটু ব্রেক পড়ে গেল। মেজর জিয়া কমান্ডিং অফিসারের সঙ্গে কিছু কথা বলে বসলেন ট্রাকের সামনে, ড্রাইভারের পাশের সিটে। আমি একা যাচ্ছিলাম কিন্তু মেজর জিয়ার সঙ্গে দুজন অফিসার দেয়া হল। গাড়িতে ওঠার আগে মেজর জিয়া আমাকে বললেন, কিছু শুনলে জানিও, খোদা হাফেজ। তিনি গাড়িতে উঠলেন। সুবেদার এনামুল মজিদ, সে. লে. হুমায়ুুন, সে. লে. আজমকে নিয়ে তিনি রওয়ানা দিলেন। ক্যাপ্টেন অলি ডিউটি অফিসার হিসেবে চলে গেলেন উপরে। আমাকে পরে যেতে হবে এজন্য আমি রয়ে গেলাম তৈরির জন্য। আর কমান্ডিং অফিসার জানজুয়ার মেজর শওকতকে মেসে নামিয়ে সোজা পূর্ব দিকে তার বাংলো আলহামরায় চলে গেলেন।

    মেজর জিয়া যাওয়ার পর রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার সময় আমার এক আত্মীয় আব্দুল কাদেরের ফোনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম, ঢাকায় ফায়ারিং হয়েছে। ইপিআরের সৈন্যরা আক্রান্ত হয়েছে। পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তখন মেজর জিয়া বন্দরের দিকে চলে গেছেন। মেজর শওকত মেসে ঘুমাচ্ছেন। কর্নেল জানজুয়া তার বাসায়। বাকি সমস্ত অফিসার চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডিউটিতে। একমাত্র আমি আর ওলি অফিসে। উনি ডিউটি অফিসার। অলিকে বললাম, পরিস্থিতি ভালো মনে হচ্ছে না, কি করা যায়। মেজর শওকত তো মেসে ঘুমাচ্ছেন। তুমি আর আমি ছাড়া বাকিরা সব জুনিয়র। আমি বললাম, ‘খবঃ সব মড় ধহফ মবঃ নধপশ ড়ঁৎ নড়ংং।‘ মেজর জিয়াকে নিয়ে আসি, তারপর দেখি কি করা যায়। তখন অলি অত্যন্ত উৎসাহসহকারে বলল, স্যার, ঠিক আছে আপনি মেজর জিয়াকে নিয়ে আসেন। আমি বললাম তুমি ডিউটিতে থাকো, খবর নাও।

    একটি পিকআপ নিয়ে, একজন চালক, একজন ল্যান্সনায়েক এবং দুজন সিপাহীসহ আমি মেজর জিয়াউর রহমানকে আনার জন্য রওয়ানা হলাম। যাওয়ার সময় গার্ড কমান্ডার ল্যান্সনায়েক শফিকে বললাম, ঠিকমত ডিউটি কর। ওপরে ডিউটি অফিসার আছে। অবস্থা খুব ভাল নয়। এরপর আমি পিকআপ নিয়ে চলে গেলাম। নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি হয়ে মেহেদীবাগ হাউজিং সোসাইটি পেরিয়ে দামপাড়া পুলিশ লাইনের সামনে দিয়ে চট্টগ্রাম ক্লাবের পশ্চিম পাশ দিয়ে আগ্রাবাদের দিকে রওনা দিলাম।

    পথে কয়েকটা ব্যারিকেড ছিল। দামপাড়াতে ব্যারিকেড ছিল, চট্টগ্রাম ক্লাবের পশ্চিম পাশেও একটা ব্যারিকেড ছিল। ব্যারিকেডগুলো সরিয়ে আমি সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম। আগ্রাবাদ ব্রিজটা তখন ভাঙা ছিল। বাইপাস রোড ছিল পশ্চিম পাড়ে। সেখানেও ছিল শক্ত ব্যারিকেড। এই ব্যারিকেডের সামনে দেখলাম অষ্টম বেঙ্গলের একটা ট্রাক থেমে আছে। সৈন্যরা ব্যারিকেড সরাচ্ছে। দেখলাম মেজর জিয়া ট্রাকের পাশে পায়চারী করছেন আর সিগারেট খাচ্ছেন। আমি তাকে বললাম, ঝরৎ, ুড়ঁ ংযড়ঁষফ হড়ঃ মড় ঃড় ঃযব ঢ়ড়ৎঃ ঃড়হরমযঃ. চধশরংঃধহর ভড়ৎপবং ধষৎবধফু ংযড়ড়ঃরহম রহ উযধশধ. ঞযবু ধঃঃধপশবফ ঊচজ পধসঢ় ধঃ জধলধৎনধম চড়ষরপব খরহব ধষংড়. ও ংঃৎড়হমষু ভববষ ঃযধঃ ুড়ঁ ংযড়ঁষফ হড়ঃ মড় ঃড় ঃযব ঢ়ড়ৎঃ এ কথা শুনে মেজর জিয়া একটু চিন্তা করলেন। এরপর বললেন, ডযধঃ ংযড়ঁষফ বি ফড়! কথাটি বললেন স্বগতোক্তির মত। আমি বললাম, ণড়ঁ শহড়ি নবঃঃবৎ। তখন তিনি হাত বের করে অন্য হাতে মুষ্টিঘাত করে বললেন, ওহ ঃযধঃ পধংব বি রিষষ ৎবাড়ষঃ ধহফ ংযড়ি ড়ঁৎ ধষষবমরধহপব ঃড় ঃযব এড়াঃ. ড়ভ ইধহমষধফবংয। আমি বললাম, ঞযধঃ রং ঃযব ৎবধষরঃু। তখন তিনি লে. আজম ও হুমায়ুনকে আটকের জন্য ইশারা করলে আমি তাদেরকে কোয়াটারগার্ডে ঢুকাই। মেজর জিয়া একটি জিপে করে একজন ড্রাইভার ও একজন মোটামত সিপাহী নিয়ে সোজা কর্নেল জানজুয়ার বাসার দিকে গেলেন। সেখানে গিয়ে মেজর জিয়া নিজেই কলিং বেল বাজালেন। জানজুয়া সাদা পাজামা পাঞ্জাবি ও বাটার স্যান্ডেল পরে বেরুলেন। সামনে মেজর জিয়াকে দেখে ভূত দেখার মত বিস্মিত হলেন।

    এ সব কথা মেজর জিয়া নিজে পরে আমাকে ব্যাখ্যা করেছিলেন। ভীত সন্ত্রস্ত জানজুয়া জিজ্ঞেস করলেন, জিয়া কি হয়েছে। জিয়া বললেন, স্যার, আপনার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে। জানজুয়া ভাবছিলেন ব্রিগেডিয়ার আনসারির ওখান থেকে জিয়া ফিরে এলো কি করে। বন্দরে কি ঘটল, কোথায় কি হল কিছুই বুঝতে পারছিলেন না তিনি। ঘর থেকে বেরিয়ে মেজর জিয়াকে বললেন, জিয়া আও ব্যাঠো। জিয়া বললেন, ঘড় ঝরৎ, বি যধাব ংড়সবঃযরহম ঃড় ঃধষশ ঃড় ুড়ঁ। তিনি বললেন, ঠিক হ্যায় খবঃ ঁং ফরংপঁংং যবৎব ১ জিয়া বললেন, ঘড় ঝরৎ, বি ংযড়ঁষফ মড় ঃড় ঁহরঃ ষরহব, ঈধঢ়ঃধরহ কযধষবয়ুুঁধসধহ ধহফ ঈধঢ়ঃধরহ ঙষর রং ঃযবৎব. ঞযবু রিষষ ষরশব ঃড় ফরংপঁংং রিঃয ুড়ঁ।

    জানজুয়া বললেন, আচ্ছা ঠিক হ্যায়, চল। জানজুয়া জিপে বসলেন, মেজর জিয়া জিপ চালালেন। সিপাহী দুজন পিছনে বসা। কোয়ার্টার গার্ডের সামনে এসে জিপ থামল। আমি, ল্যান্সনায়েক শফি এবং গার্ড রবিউল আনাম সেখানে দাঁড়ানো। মেজর জিয়া রবিউল আনামের কাছ থেকে একটা রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে জানজুয়ার দিকে তাক করে বললেন, ‘স্যার, ইউ আর আন্ডার অ্যারেস্ট। ডোন্ট ট্রাই টু টেইক লিডারশিপ।‘ জিয়া শক্তভাবে কথাটা বললেন। জানজুয়ার মুখ থেকে একটি শব্দও বেরোল না। জিয়া আমাকে বললেন, খালেক নিয়ে যাও। তখন আমি জানজুয়াকে সম্মান দেখিয়ে বললাম, স্যার কাম টু দ্যা কোয়ার্টার গার্ড। জিয়া দাঁড়ানো। আমি জানজুয়াকে কোয়াটার গার্ডে নিয়ে যাই। এরপর জিয়া রাজনৈতিক নেতা ও ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ওপরে চলে গেলেন। আমি একজন সৈনিককে দিয়ে লে. মাহফুজকে খবর পাঠালাম। তখন পরিষ্কার যে, আমরা বিদ্রোহ শুরু করে দিয়েছি। এই অবস্থায় আমাদের যে সকল অফিসার ও সৈন্য ডিউটিতে আছে তাদের বাইরে রাখা ঠিক হবে না। এই চিন্তা করে আমি লে, মাহফুজ, লে. শমশেরকে খবর পাঠালাম বায়েজিদ বোস্তামিতে যারা ডিউটি করছেন তাদের নিয়ে আসার জন্য। আমার সৈন্যদের দিয়ে সিনিয়র জেসিওকে খবর পাঠালাম, অফিসার মেসে পাঠান অফিসার ক্যাপ্টেন আহম্মদ উদ্দিন আছে, তাকে নিয়ে আসার জন্যে। আমাদের দুজন সিপাহী সঙ্গে নিয়ে জেসিও মাহবুবুর রহমান গিয়ে তাকে ডেকে আনল। আহম্মদ উদ্দিনকেও কোয়ার্টার গার্ডের মধ্যে বন্দি করা হল। তারা চুপচাপ বসে ছিল। কোন রকমের হৈ চৈ করেনি। তারা জানে সারেন্ডার করলেই মঙ্গল। বীরত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে আমাদের কাজগুলো করতে হয়েছিল।

    মেজর জিয়া জানজুয়াকে নিয়ে আসার সময় মেজর মীর শওকতকে ঘুম থেকে জাগিয়ে এসেছিলেন। শওকত সঙ্গে সঙ্গে আসেননি। একটু সময় নিয়ে আসলেন। খালেক তুমি পরিস্থিতি লক্ষ্য রেখো, আমি ওপরে যাচ্ছি। এই বলে তিনি দ্বিতীয়বারের মত ওপরে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে শুরু করলেন। শওকতও ওপরে চলে গেলেন। আমি নিচেই রয়ে গেলাম। ততক্ষণে সৈন্যদের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেছে।

    আমি মেজর জিয়াকে বললাম, স্যার সৈন্যরা সব নিচে ছত্রভঙ্গ অবস্থায় আছে। ওদের সবাইকে হল স্কোয়ারে একত্রিত করি। আপনি কিছু বলুন।

    সুবেদার মেজর মোহাম্মদ আলী জেসিওদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতম। তাকে বলে ব্যাটালিয়ন ফল-ইন করা হল, সবাইকে আনা হল। জিয়া নিচে নেমে এলেন। মেজর শওকত, ক্যাপ্টেন অলিসহ আমরা সবাই আছি। আমি মেজর শওকতকে বললাম, স্যার আপনি বলুন যে, উপঅধিনায়ক মেজর জিয়া ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তিনি আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলবেন। শওকত গিয়ে বললেন, উপঅধিনায়ক স্যার আপনাদের কিছু বলবেন। চট্টগ্রাম বন্দরে তখন আমাদের এক কোম্পানির মত সৈন্য ছিল। লে. শমশের, লে. মাহফুজ ততক্ষণে চলে এসেছে।
    মেজর জিয়া সৈন্যদের সামনে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরলেন। তিনি আবেগ জড়িত কণ্ঠে জানালেন সার্বিক অবস্থা। পশ্চিম পাকিস্তানিরা কি করছে, কেন করছে, তাদের উদ্দেশ্য কি, এ সব তিনি ব্যাখ্যা করলেন। তিনি বললেন, ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামানকে বন্দরে পাঠাতে চেয়েছিল। পরে আমাকে পাঠিয়েছে। আমাদের মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল। এভাবে অষ্টম বেঙ্গলের সবাইকে বন্দি করার একটা ব্যবস্থা ছিল। পরে বললেন, আমরা বাংলাদেশের নামে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছি। আমাদের দেশ এখন স্বাধীন। বাংলাদেশের পক্ষ হয়ে আজকে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করছি। সবার কাছে এ ব্যাপারে সম্মতি চাইলেন। তখন সিপাহীরা সবাই তাঁর প্রতি সমর্থন জানাল। প্রকৃত পক্ষে এটি ছিল মেজর জিয়ার স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা। তখন এখানে এত জোরে ¯েøাগান, ধ্বনি-প্রতিধ্বনি হচ্ছিল যে, নাসিরাবাদের লোকজন ঘুম থেকে উঠে যায়। তারা উঁকি দিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে রাস্তার দিকে দেখছিল। রাত তখন তিন-চারটা হবে। বক্তৃতার পর মেজর জিয়া মেজর শওকতকে একটা জিপ দিয়ে বললেন, শওকত তুমি রাজনৈতিক নেতৃস্থানীয় লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দাও।

    মীর শওকত রাতে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিরলেন। এদিকে আমাদের যে আর্মড এন্ড এমিনেশন ছিল সেগুলো ট্রাকে করে একটা নতুন জায়গাতে যাওয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয় তখন ইউনিট লাইনে থাকা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে থাকা যাবে না, আবার প্রতিরোধও করা যাবে না, তাই আমরা যখন অষ্টম বেঙ্গল থেকে বের হই, লাইন ছেড়ে দিই তখন ভোররাত, আজান পড়েছে।

    লেখক: সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের সহযোদ্ধা।
    (চৌধুরী খালেকুজ্জামান, সামরিক জীবনের স্মৃতি (১৯৬৪-১৯৮১) থেকে সংগৃহীত ও সংক্ষেপিত।)

    Category: #ঘোষণা