Address
    28, 1 VIP Rd, Dhaka 1000
    Bangladesh
    Follow us
    Follow us

    শহীদ জিয়ার নেতৃত্ব ও আজকের কর্তব্য

    আবদুল লতিফ মাসুম
    ড. মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন

    ‘প্রথম বাংলাদশে আমার শষে বাংলাদশে,
    জীবন বাংলাদশে আমার মরন বাংলাদশে, বাংলাদশে, বাংলাদশে।’

    বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত এ সঙ্গীত। এটি শহীদ জিয়ার প্রিয় সঙ্গীত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এর দলীয় সঙ্গীত হিসেবে এটি গৃহীত। কোন অনুষ্ঠানে সঙ্গীতটি যখন বেজে উঠতো তখন জিয়াউর রহমান নিজেই কণ্ঠ মেলাতেন এর শব্দে শব্দে ও কলিতে কলিতে। এই সঙ্গীতটি শুধুই সঙ্গীত নয়। এটি হয়ে উঠেছিলো শহীদ জিয়ার জীবন সঙ্গীত। বাংলাদেশ জাতি রাষ্ট্রের বিগত অর্ধ শতাব্দীর ইতিহাসে এমন কোন রাষ্ট্রনায়কের সন্ধান পাওয়া যাবে না, যিনি তার শ্রম, সময়, মন-মনন তথা জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে ভালোবেসেছেন। তার সততা ও দেশপ্রেম বন্দনার ভাষা নয় বরং তার জীবনের পলে পলে প্রতিষ্ঠিত সত্য। সততা যদি হয় সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা তিনি তার জীবন ও কর্মের মাধ্যমে তা প্রমাণিত করেছেন। দেশপ্রেম যদি হয় দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা, জীবন দিয়ে তিনি তার সাক্ষ্য রেখেছেন। দেশপ্রেমের আরও অর্থ হয় যদি রাষ্ট্র ও জাতি নির্মাণ (State and Nation Building) তাহলে তিনি তার স্বল্প সময়ের শাসনব্যবস্থায় তার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি যেন বাংলাদেশের ভাগ্য বিধাতা হিসেবেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তার জন্মকাল ধরে হিসাব করলে তিনি যদি বেঁচে থাকতেন তার বয়স হতো ৮৯ বছর। হয়তোবা এই দূর্ভাগ্যবান জাতি তার দীর্ঘ জীবন ধারা দিয়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারতো। এটি কোন ভক্তের অতি উচ্চারণ নয় তার নেতৃত্ব ও কর্মধারা সম্পর্কে অতি বাস্তব উদাহরণ।

    . নেতৃত্ব সম্পর্কে বহুল উচ্চারিত শেক্সপিয়ারের সংলাপটি এ রকম; “Some are born great, some achieve greatness and some have greatness thrust upon them.” জিয়াউর রহমান উত্তরাধিকার সূত্রে নেতা ছিলেন না, ক্ষমতার দাপটে মহত্ত্ব তাঁর প্রতি আরোপিত হয়নি। তিনি নেতৃত্ব কর্তৃত্ব মহত্ত্ব অর্জন করেছিলেন নিজ কর্তব্য গুণে। তাঁর অবদান, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর চরিত্র তাঁকে মহত্ত্বের মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে। পৃথিবীর ইতিহাস প্রমাণ করে কোনো কোনো ঘটনা বা পরিস্থিতিতে একজন মহৎ মানুষ, একজন বীরযোদ্ধা অথবা একজন ত্রাণকর্তা বেরিয়ে আসেন, যিনি দেশ জাতি রাষ্ট্রকে অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। তুর্কি বীর কামালপাশা, ফরাসী বীর নেপোলিয়ান এবং দ্য গল, মিসরের জামাল আবদুন নাসের ছিলেন এ ধারার জাতীয় বীর। বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের মুহূর্তে এবং ৭৫ এর এক সঙ্কটময় সন্ধিক্ষণে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব জাতিকে দিয়েছে অনিবার্য নির্দেশনা এবং কাক্সিক্ষত স্থিতি। মনীষী কার্লাইল এমন সব বীরের স্মরণেই বলেছেন “A hero appears in the world according to the need of his time.”

    . মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় পাকিস্তানী কুচক্রি বেসামরিক নেতৃত্ব এবং নির্বোধ সামরিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সঙ্কট উত্তরণের কৌশলে রেখে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়। অপরদিকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী বাংলাদেশের নেতৃত্ব জাতির জন্য সামরিক রণকৌশল, গণযুদ্ধ বা গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনা ছাড়াই আত্মসমার্পণ করেন। নেতৃত্বের অপরাপর অংশ ভারতে পলায়ন করেন। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন ২৫ মার্চ এবং তৎপরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের নিরস্ত্র, নিরীহ মানুষের উপর গণহত্যা শুরু করে তখন এসব স্বাধীনতাকামী মানুষেরা অভিভাবকহীন, নেতৃত্বহীন, সিদ্ধান্তহীনভাবে চরম অসহায়ত্ব, অনিশ্চয়তা, হতাশা এবং ভীতির মধ্যে নিপতিত হয়। এ সঙ্কটময় সময়ে একটি কণ্ঠ একটি বীরোচিত ঘোষণা : ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’ গোটা জাতিকে আন্দোলিত করে। মেজর জিয়ার এ অকুতোভয় ঘোষণা গোটা দেশে প্রানচাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং অনিশ্চিত অবস্থার অবসান হয়। ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে অস্থায়ী সরকার গঠন না করা পর্যন্ত কার্যত জিয়াই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। জিয়া শুধু ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত হননি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তিনিই প্রথম সূচনাকারী। জিয়া চট্টগ্রামে কর্মরত বাঙালী কর্মকর্তা ও সৈনিকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন। জিয়া বললেন; “আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করলাম”। জিয়ার নেতৃত্বে অষ্টম ইষ্ট বেঙ্গল চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাকিস্তানী হানাদারদের প্রতিহত করে। পরে তারা ভারতে প্রবেশ করে। ৭ জুলাই ১৯৭১ গঠিত হয় জিয়ার নামের আদ্য অক্ষর দিয়ে ‘জেড’ ফোর্স। তিনি হন সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্স বিশেষ অবদান রাখে। ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার নেতৃত্বে সংঘটিত চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধকে ষ্টালিনগ্রাদের যুদ্ধের সাথে তুলনা করেন। পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি বীরোত্তম উপাধিতে ভূষিত হন।

    . এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা শীঘ্রই রাজনৈতিক নিপীড়ন, অর্থনৈতিক সঙ্কট, সামাজিক উত্তেজনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। (হাবিব জাফরুল্লাহ: ১৯৯৬ : এ) ১৯৭৫ এর মধ্যআগষ্টের ঘটনাবলী জাতিকে রাজনৈতিক সঙ্কট থেকে সামরিক সঙ্কটে নিপতিত করে। অভ্যুত্থান, প্রতি অভ্যুত্থান, ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চক্রে ৭৫ এর ৩-৭ নভেম্বর জাতি এক অনিশ্চিত সময় অতিক্রম করে। এ সময়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন। পাল্টা অভ্যুত্থানের নেতারা পরাক্রমশালী প্রতিবেশীর তাঁবেদার বলে প্রতিভাত হওয়ায় সংঘঠিত হয় এক অচিন্ত্যপূর্ব ঘটনা। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঘটে। সাধারণ সৈনিকেরা নির্দেশের সোপানকে অগ্রাহ্য করে ব্যারাক থেকে বেরিয়ে আসে। বাম ধারায় অনুপ্রাণিত নেতৃত্বে এ অসাধারণ ‘বিপ্লব’ ঘটালেও তাঁরা এ বিপ্লব ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি উচ্চারণ করে বেরিয়ে আসা সৈনিকদের স্বাগত জানায় দেশের সাধারণ মানুষ। রচিত হয় সৈনিক জনতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন। ব্যক্ত হয় ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ জিয়ার প্রতি সৈনিক ও সাধারন মানুষের স্বত:স্ফূর্ত সমর্থন। বাম বিপ্লবীদের নেতৃত্বে এবং সাধারণ সৈনিকদের কর্তৃত্বে জিয়াউর রহমান ‘গৃহবন্দিত্ব’ থেকে মুক্ত হন। জিয়াউর রহমান সেনানিবাসে আনীত হন। জিয়াউর রহমান হৃত সেনা প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হন। ঘটনা পরম্পরা অবশেষে জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে। “He was placed to the power” (এমাজউদ্দিন : ২০০০) বাম ধারার বিপ্লবীদের পক্ষ থেকে শ্লোগান উচ্চারিত হয়, “সিপাহি সিপাহি ভাই ভাই, অফিসারের রক্ত চাই”। লিফলেট বিতরণ করা হয়। সৈনিকদের আবারও ব্যারাক থেকে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। সর্বাত্মক অরাজকতা সৃষ্টি হয় প্রায় সকল সেনানিবাসে। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম, নির্দেশনা, ব্যবস্থাপনা, অফিসারদের প্রণোদনায় অবশেষে ধ্বংসোম্মুখ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়। সুতরাং যৌক্তিকভাবেই বলা যায় “(Zia) saved Bangladesh military from an impending doom” ( Marcus Franda : 1982 : 258 )

    . পরবর্তী পাঁচ বছরে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন সাধন করেন। এসব কিছুকে আদর্শ বা নীতিগত, কাঠামোগত, আইনগত, উন্নয়নগত ও প্রথাগত পরিবর্তন বলে চিহ্নিত করা যায়। বাংলাদেশের মানুষের আবেগ-অনুভূতি-বিশ্বাস ও জীবনবোধের নিরিখে তিনি সংবিধান সংশোধন করেন। ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন করেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেন। বাঙালী জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সূচনা করেন। সংবিধানে ও উন্নয়ন কৌশলে সমাজতান্ত্রিক ধারা (তথাকথিত অধনতান্ত্রিক পথ) পরিহার করেন, মুক্ত অর্থনীতি, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি, রাজনীতিতে উগ্রবাম ও উগ্রডানের সমদূরত্বে মধ্যপন্থা অনুসরণ করেন। বাকশালের মাধ্যমে নিষিদ্ধ বহুদলীয় গনতন্ত্রের পূণপ্রবর্তন করেন। সর্বাত্মক এ পরিবর্তনের নিরিখেই সমাজতাত্ত্বিকরা তাকে ‘আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলে অভিহিত করেছেন। “Zia imprinted and indelible mark in Bangladesh’s history a mark that will continue to influence its political and economic domains for a long time to come.” (Habib Jafrullah : 2000 : A)

    . সমসাময়িক পৃথিবীর ইতিহাসে শহীদ জিয়া সততার এক উত্তম উদাহরণ। একজন মানুষের জীবন চক্রে যে ধাপগুলো রয়েছে- ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন ও সামষ্টিক জীবন। এই ত্রিবিধ পর্যায়ই জিয়াউর রহমান সততার বিরল নিদর্শন স্থাপন করে গেছেন। ব্যক্তিগত পর্যায়ে তিনি সহজ সরল ও অনারম্বর জীবন যাপন করেছেন। অর্থ, বিত্ত ও সম্পদের প্রতি কোন পর্যায়ই তার কোন আকর্ষন ছিলো না। বিস্ময়কর উদাহরণ হচ্ছে এই যে একজন প্রেসিডেন্ট জিয়া পদে থাকা অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হাউজিং সোসাইটিতে নেয়া তার প্লট এর কিস্তি দিতে অপারগ হন। অবশেষে প্লটটি ছেড়ে দেন। তিনি সেনানিবাসের যে বাড়িতে থাকতেন সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা নিতে অস্বীকার করেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান কিংবা বিদেশ ভ্রমণে কৃচ্ছতা সাধিত হয়েছে চরম পর্যায়ে। একজন প্রেসিডেন্ট সফর শেষে বেচে থাকা ডলার ফেরত দিচ্ছেন এরকম উদাহরণ বিরল। আরাম-আয়েস, বিলাশ-ব্যাসন পরিত্যাগ করে তিনি বস্তুত অতি সাধারণ জীবন যাপন করেছেন। তিনি নেতা কর্মীদের খাই খাই রবকে ভৎসনা করেছেন।

    . বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতীয় সঙ্কট উত্তরণে এবং জনগনের অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য জিয়াউর রহমানের অবদান চির অম্লান, চির ভাস্বর, চিরস্মরণীয়। ভারতের প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির ভাষায়- “your position is already assured in the annals of history of your country as a brave fighter who was the first to declare the independence of Bangladesh. Since you took over the reins of government in your country, you have earned wide respect both in Bangladesh and abroad as a leader truly dedicated to the progress of your country and wellbeing of your people”.

    . বাংলাদেশী জাতির এক সঙ্কট সন্ধিক্ষণে আমরা জিয়াউর রহমানের ৮৯ তম জন্ম বার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছি। প্রথিতযশা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জিল্লুর আর খান বাংলাদেশ জাতি রাষ্ট্রের ইতিহাসকে ‘ঈৎরংরং ঃড় ঈৎরংরং’ বলে বর্ণনা করেছেন। ২০২৪ সালের গণবিপ্লবের পর যে সময়টি স্বস্তির সাথে অতিক্রান্ত হওয়ার কথা সেখানে আমরা এখনো একটি অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা ও অপারগতার পর্যায় অতিক্রম করছি। জুলাই বিপ্লবের রক্ত স্রোতের মাধ্যমে যে জাতীয় অটুট ঐক্য অর্জিত হয়েছিলো তা যেন আজ ¤øান হয়ে আসছে। সর্বত্রই ক্ষমতা ধারণ ও আরোহণের অদৃশ্য-অনাকাঙ্খিত দৃশ্য অনুভুত হচ্ছে। অথচ এই দেশ-জাতি-রাষ্ট্র জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে অপেক্ষমান। সবাই বলেন ও বোঝেন যে শুধুমাত্র একটি জাতীয় ঐক্য (National Consensus) এর মাধ্যমেই চলমান সংকটের সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ জিয়াউর রহমান তত্ত¡ ও বাস্তবতায় এই জাতিকে সেই প্রত্যাশিত ঐক্য উপহার দিয়েছিলেন। জাতীয় জীবনের এই সঙ্কট সন্ধিক্ষনে জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত পথেই নিহিত রয়েছে এই জাতির মুক্তি।

    আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের। প্রয়োজন তার সঠিক দিক নির্দেশনা ও দেশপ্রেমের। তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রকৃষ্ট পন্থা হল, তিনি যেভাবে এবং যে প্রক্রিয়ায় স্বল্প সময়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের চেহারা পাল্টে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন, সেসব গুণপনার অনুশীলণ এবং তার সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন। অবশেষে আমাদের আবেগ আপ্লুত উপলদ্ধি : ‘‘Zia ! thou should’st be living at this hour : Bangladesh hath need of thee.”

    ড. আবদুল লতিফ মাসুম
    প্রফেসর (অবঃ),
    সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    Category: #জাতীয়তাবাদ